কোন অপরাধে সাহায্য-সহায়তা বা প্ররোচনা করলে আপনার কি শাস্তি হতে পারে?


,
Fekete_folt
আপনি যদি মৃত্যুদন্ডমূলক অথবা যাবজ্জীবনমূক দন্ডের এমন কোন অপরাধে সহায়তা দান করেন তাহলে দন্ডবিধির ১১৫ধারার অধিনে যদি অপরাধটি সংগঠিত না হয় তাহলে ৭বছর সশ্রম বা বিনাশ্রম কারদন্ডে এবং অর্থদন্ডেও দন্ডিত হবেন।আর যদি অপরাধটি সংগঠিত হয় বা ভোক্তভোগী আঘাত পাপ্ত হয় তাহলে ১৪বছরের পর্যন্ত যেকোন প্রকার কারাদন্ডে দন্ডিত হবেন এবং অর্থদন্ডও হবে।
,
উপরে উল্লেখিত এইরকম অপরাধ ছাড়া বাকী অন্য যে কোন অপরাধে দন্ডবিধির ১০৯ধারার অধিনে সহায়তা করলে অপনাকে ঐই অপরাধের জন্য যে শাস্তি রয়েছে তাই দেওয়া হবে,যদি না দন্ডবিধি আইনে আলাদা কোন শাস্তির বিধান এমন অপরাধে সহায়তাদানকারীর জন্য রাখা হয়েছে।
,
আপনি যদি কোন অপরাধে সহায়তা করেন এবং সে অপরাধ সংঘটন কালে আপনার সহায়তা দানকারক সময়ে অন্য কোন একটি নতুন অপরাধ ঘটে তাহলে আপনিও দন্ডবিধির ১০১১ধারা অনুসারে ঐই ঘটিত ভিন্ন অপরাদে সহায়তা করলে যে শাস্তি হত ঐই একই শাস্তি অপনাকে দেওয়া হবে যদিও আপনি এই অপরাধে সহায়তা করেনি।
,
আপনি যদি কোন অপরাধে সহায়তা করেন এবং অপরাধটি ঘটানোর সময় ঐই ঘটনা স্থলে উপস্থিত ছিলেন তাহলে আপনি দন্ডবিধির ১১৪ধারা অনুসারে ঐই অপরাধের অপরাধী বলে অভিযুক্ত হবেন সহায়তাদানকারী হিসেবে নয়।
বি:দ্র:-“সহায়তা’ শব্দটি দ্বারা বুঝানো হয়েছে “সাহায্য”,”প্ররোচনা”,”উস্কানি”,”অভিপ্রায়”,”অংশ নেওয়া”পোষনকরা” ইত্যাদি।
,,,প্রয়োজনিয় মনে করলে শেয়ার করে বন্ধুদের সচেতন করুন।অনেক দিন পর লিখলাম।

 

 

 

 

 

 

 

Advertisements

Leave a Reply

Please log in using one of these methods to post your comment:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s