জমির পরিমাপের বিভিন্ন একক


জমির পরিমাপের বিভিন্ন একক

 

13006715_486431194814907_923020185881818980_n

Advertisements

অসাধারন একটি লেখা। আশাকরি ভালো লাগবে..


অসাধারন একটি লেখা। আশাকরি ভালো লাগবে…

এক ভদ্র মহিলা পাসপোর্ট অফিসে এসেছেন পাসপোর্ট করাতে।
অফিসার জানতে চাইলেন- আপনার পেশা কি?
মহিলা বললেন, আমি একজন মা।
আসলে ,শুধু মা তো কোনো পেশা হতে পারেনা।
যাক, আমি লিখে দিচ্ছি আপনি একজন গৃহিনী।
মহিলা খুব খুশী হলেন। পাসপোর্টের কাজ কোনো ঝামেলা ছাড়াই শেষ হলো। মহিলা সন্তানের চিকিৎসা নিতে বিদেশ গেলেন। সন্তান সুস্থ হয়ে দেশে ফিরে আসলো।

অনেকদিন পরে, মহিলা দেখলেন পাসপোর্টটা নবায়ন করা দরকার। যেকোনো সময় কাজে লাগতে পারে। আবার পাসপোর্ট অফিসে আসলেন। দেখেন আগের সেই অফিসার নেই। খুব ভারিক্কি, দাম্ভিক, রুক্ষ মেজাজের এক লোক বসে আছেন।

যথারীতি ফর্ম পূরণ করতে গিয়ে অফিসার জানতে চাইলেন-
আপনার পেশা কি?
মহিলা কিছু একটা বলতে গিয়েও একবার থেমে গিয়ে বললেন-
আমি একজন গবেষক। নানারকম চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট নিয়ে কাজ করি। শিশুর মানসিক এবং শারিরীক বিকাশ সাধন পর্যবেক্ষণ করে,সে অনুযায়ী পরিকল্পণা প্রণয়ন করি। বয়স্কদের নিবিড় পরিচর্যার দিকে খেয়াল রাখি। সুস্থ পরিবার ও সমাজ বিনির্মাণে নিরলস শ্রম দিয়ে রাষ্ট্রের কাঠামোগত ভিত মজবুত করি। প্রতিটি মূহুর্তেই আমাকে নানারকমের চ্যালেঞ্জের ভিতর দিয়ে যেতে হয় এবং অত্যন্ত দক্ষতার সাথে তা মোকাবিলা করতে হয়। কারণ,আমার সামান্য ভুলের জন্য যে বিশাল ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

মহিলার কথা শুনে অফিসার একটু নড়ে চড়ে বসলেন। মহিলার দিকে এবার যেন একটু শ্রদ্ধা আর বিশেষ নজরে তাকালেন । এবার অফিসার জানতে চাইলেন-

আসলে আপনার মূল পেশাটি কি? যদি আরেকটু বিশদভাবে বলতেন।লোকটির আগ্রহ এবার বেড়ে গেলো।

আসলে, পৃথিবীর গুণীজনেরা বলেন – আমার প্রকল্পের কাজ এতো বেশি দূরহ আর কষ্ট সাধ্য যে, দিনের পর দিন আঙুলের নখ দিয়ে সুবিশাল একটি দীঘি খনন করা নাকি তার চেয়ে অনেক সহজ।

আমার রিসার্চ প্রজেক্ট তো আসলে অনেকদিন ধরেই চলছে। সর্বক্ষণ আমাকে ল্যাবরেটরি এবং ল্যাবরেটরীর বাইরেও কাজ করতে হয়। আহার,নিদ্রা করারও আমার সময়ের ঠিক নেই। সব সময় আমাকে কাজের প্রতি সজাগ থাকতে হয়। দুজন উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অধীনে মূলত আমার প্রকল্পের কাজ নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে চলছে।

মহিলা মনে মনে বলেন,দুজনের কাউকে অবশ্য সরাসরি দেখা যায়না।
(একজন হলেন, আমার স্রষ্টা আরেকজন হলো বিবেক)

আমার নিরলস কাজের স্বীকৃতি স্বরুপ আমি তিনবার স্বর্ণপদকে ভূষিত হয়েছি। (মহিলার তিন জন কন্যা সন্তান ছিল।)
এখন আমি সমাজবিজ্ঞান,স্বাস্থ্যবিজ্ঞান আর পারিবারিক বিজ্ঞান এ তিনটি ক্ষেত্রেই একসাথে কাজ করছি, যা পৃথিবীর সবচেয়ে জটিলতম প্রকল্পের বিষয় বলা যায়। প্রকল্পের চ্যালেঞ্জ হিসাবে একটি অটিস্টিক শিশুর পরিচর্যা করে মানুষ হিসাবে গড়ে তুলছি, প্রতিটি মুহুর্তের জন্য।

‘ঊষর মরুর ধূসর বুকে, ছোট্ট যদি শহর গড়ো,
একটি শিশু মানুষ করা তার চাইতেও অনেক বড়।‘

অফিসার মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে মহিলার কথা শুনলেন । এ যেন এক বিস্ময়কর মহিলা। প্রথমে দেখেতো একেবারে পাত্তাই দিতে মনে হয়নি।

প্রতিদিন আমাকে ১৪ থেকে ১৬ ঘন্টা আবার কোনো কোনো দিন আমাকে ২৪ ঘন্টাই আমার ল্যাবে কাজ করতে হয়। কাজে এতো বেশি ব্যস্ত থাকতে হয় যে, কবে যে শেষবার ভালো করে ঘুমিয়ে ছিলাম কোনো রাতে,তাও আমার মনে নেই। অনেক সময় নিজের আহারের কথা ভুলে যাই।আবার অনেক সময় মনে থাকলেও সবার মুখে অন্ন তুলে না দিয়ে খাওয়ার ফুরসত হয়না । অথবা সবাইকে না খাইয়ে নিজে খেলে পরিতৃপ্তি পাই না। পৃথিবীর সব পেশাতেই কাজের পর ছুটি বলে যে কথাটি আছে আমার পেশাতে সেটা একেবারেই নেই। ২৪ ঘন্টাই আমার অন কল ডিউটি।

এরপর আমার আরো দুটি প্রকল্প আছে । একটা হলো বয়স্ক শিশুদের ক্লিনিক। যা আমাকে নিবিড়ভাবে পরিচর্যা করতে হয়।সেখানেও প্রতিমুহুর্তে শ্রম দিতে হয়। আমার নিরলস কাজের আর গবেষণার কোনো শেষ নেই ।

আপনার হয়তো বা জানতে ইচ্ছে করছে, এ চ্যালেঞ্জিং প্রকল্প পরিচালনায় আমার বেতন কেমন হতে পারে।
আমার বেতন ভাতা হলো- পরিবারের সবার মুখে হাসি আর পারিবারিক প্রশান্তি। এর চেয়ে বড় অর্জন আর বড় প্রাপ্তি যে কিছুই নেই।

এবার আমি বলি, আমার পেশা কি?
আমি একজন মা। এই পৃথিবীর অতিসাধারণ এক মা।

মহিলার কথা শুনে অফিসারের চোখ জলে ভরে আসে। অফিসার ধীরে ধীরে চেয়ার ছেড়ে ওঠেন। নিজের মায়ের মুখ চোখের সামনে ভেসে ওঠে।তিনি খুব সুন্দর করে ফর্মের সব কাজ শেষ করে, মহিলাকে নমস্কার করে দরজা পর্যন্ত এগিয়ে দেন। তারপর নিজের অফিস রুমে এসে একটি ধূসর হয়ে যাওয়া ছবি বের করে -ছবিটির দিকে অপলক চেয়ে থাকেন। নিজের অজান্তেই চোখের জল টপ টপ করে ছবিটির ওপর পড়তে থাকে ।

আসলে “মা”-এর মাঝে যেন নেই কোনো বড় উপাধির চমক।বড় কোনো পেশাদারিত্বের করপোরেট চকচকে ভাব।কিন্তু কত সহজেই পৃথিবীর সব মা নিঃস্বার্থ ভাবে প্রতিটি পরিবারে নিরলস শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন।মাতৃত্বের গবেষানাগারে প্রতিনিয়ত তিলেতিলে গড়ে তুলছেন একেকটি মানবিক নক্ষত্র।

সেই মা সবচেয়ে খুশি হন কখন জানেন-
যখন সন্তান প্রকৃতই মানবিক মূল্যবোধ নিয়ে ধনে নয়, সম্পদে নয়,বিত্তে নয়, ঐশ্বর্যে নয় শুধু চরিত্রে আর সততায় একজন খাঁটি মানুষ হয়।

……………….. (collected ).

Rule of Law বা আইনের শাসন বলতে আসলে কি বুঝায় ?


একটি দেশ কতটুকু সভ্য ও গণতান্ত্রিক এবং এর শাসক কতটুকু দূর্ণীতি ও দূঃশাসনমুক্ত তা নির্ভর করে দেশে Rule of Law বা আইনের শাসন আছে কি-না? আর বাংলাদেশের রাজনৈতিক নেতারা কথায় কথায় আইনের শাসনের কথা বলেন । বিরোধী দলে থাকলে আইনের শাসনের মূলা ঝুলান আর সরকারী দলে থাকলে তারাই আইনকে শাসন করেন হয়ে উঠেন সেচ্ছাচারী।
আমরা যদি আইনের শাসনের তাত্বিক নিয়ে বিশ্লেষন করি তাহলে দেখতে পাব সতেরো শতকে এই “আইনের শাসন” শব্দজোড়া রাষ্ট্রবিজ্ঞানে প্রথম ব্যবহৃত হলেও এটার থিম খুঁজে পাওয়া যায় প্রাচীন দর্শনে। এরিষ্টটল বলেছিলেন, “আইনকেই শাসন করা উচিত”অর্থাৎ আইনই হবে শাসক কোন ব্যক্তি নয়।
মহান দার্শনিক প্লেটো লিখেন, “যদি আইন হয় সরকারের প্রভু আর সরকার হয় আইনের দাস, তখন সবকিছুতে একটা প্রতিশ্রুতি থাকে এবং তখন নাগরিক একটি রাষ্ট্রে ঈশ্বরের ঢেলে দেয়া পুরো রহমত উপভোগ করে”
তাই বলে “আইনের শাসন” ধারণাটি কিন্তু পুরোপুরি ওয়েস্টার্ন কনসেপ্ট নয়। প্রাচীন চীনা দর্শনে দেখা যায়, যীশুর জন্মের তিন শতক আগে হান ফেই যি বলেন, শাসক (ব্যক্তি) নয়, শাসন করবে আইন, আর আইন হতে হবে লিখিত ও প্রকাশ্য।
ইসলামী খলিফাদের শাসনামলে আইনের প্রাধান্যের উপর জোর দেয়া হয়। বলা হয়, খলিফাও যদি আইন লঙ্ঘন করে, তবে আইন মোতাবেক তাঁকেও শাস্তি পেতে হবে। ইতিহাস ঘাটলে এটার অহরহ প্রমাণও পাওয়া যায়।
১২১৫ সালে ইংল্যান্ডের রাজা জন বিখ্যাত দলিল “ম্যাগনা কার্টা”য় সই করেন। ফলে কিছুটা হলেও ইংল্যান্ডের শাসককূল আইনের অধীনে আসে।
আধুনিক দর্শনে দার্শনিক আইনবিদ জন লক, মথেস্কু-র চিন্তা চেতনায় বার বার প্রতিফলিত হয় আইনের শাসন তত্ব। স্যামুয়েল রাদারফোর্ড বই লিখেন, “রেক্স লেক্স”, যার অর্থ, রাজা (রাজার কথা) আইন নয়, বরং আইনই রাজা।
বৃটিশ আইনবিদ, এ ভি ডাইসির কথা না বললে “আইনের শাসন” নিয়ে আলোচনা ঠুনকো। ডাইসি “আইনের শাসন” বলতে মূলতঃ নিম্নোক্ত তিনটি বিষয়কে বুঝিয়েছেনঃ
১। আইন ভংগ করা ব্যতীত কাউকে শাস্তি দেয়া যাবেনা। কেউ আইন ভংগ করেছে- তা সাধারণ আদালতে প্রমান হতে হবে।
২। সামাজিক, অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে সবাই আইনের চোখে সমান।
৩। ব্যক্তি-অধিকার বিচারিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠিত হতে পারে।
এথেকে বোঝাই যাচ্ছে, আইনের শাসন কতটা গুরুত্বপূর্ণ। স্বৈরাচার শাসকের স্বেচ্ছাচারিতার বিপরীতে আইনের শাসন কত বড় একটি রক্ষাকবচ।
রাজা, বাদশাহ, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, স্পিকার, আমলা, বিচারপতি, সেনা, পুলিশ, ম্যাজিস্ট্রেট, উকিল, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, নেতা, রাষ্ট্রদূত, জেলে, কামার, রিকশাওয়ালা, লম্বা, খাটো, কালো, ফরসা, শিশু, বুড়ো, বৌদ্ধ, মুসলিম সবাই শুধুমাত্র আইনের অধীন থাকবে। শাসকের কথা বা ইচ্ছা নয়, রাষ্ট্র বা সমাজ চলবে আইন এবং শুধুমাত্র আইন দ্বারা। আইন-ই রক্ষা করবে নাগরিককে, আইন-ই ঠিক করবে নাগরিকের অধিকার, দেবে নিরাপত্তা, নাগরিকের আচরণ নিয়ন্ত্রণ করবে আইন, কোন ব্যক্তি নয়।
আইন হতে হবে পরিষ্কার, মানুষ যাতে সহজে বুঝতে পারে। আইনের আশ্রয় যাতে সবাই সহজে পেতে পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। আদালতে সবাই যেতে পারবে। বিচার বিভাগ থাকবে নির্বাহী বিভাগ বা অন্য যেকোন ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের প্রভাব হতে স্বাধীন (বিষেশ করে রাজনৈতিক প্রভাবমুক্ত)। তাদের নিয়োগ প্রক্রিয়াও হবে নিরপেক্ষ ও স্বাধীন কোন রাজনৈতিক পরিচয়ে তাদের নিয়োগ হতে পারবে না্ (বর্তমানে সুপ্রিমকোর্টে যেমন হচ্ছে)। প্রয়োজনে তাদের নিয়োগের জন্য নীতিমালা এবং আলাদা কমিশন থাকবে। বিচারক হবেন নিরপেক্ষ ও স্বাধীন, তবে স্বেচ্ছাচারী নয়। বিচারক সব পক্ষকেই শুনবেন, সমান সুযোগ দেবেন। আদালত হবে প্রকাশ্য। গোপনে গোপনে যেনতেনভাবে বিচার করে শাস্তি দেয়া যাবেনা কাউকে। এদিকে সংসদ ভবন বা আইন বিভাগও কালো আইন প্রনয়ণ করতে পারে। তাই প্রণীত আইন আবার জনস্বার্থবিরোধী বা কালো আইন হোলো কিনা, বিচার বিভাগ বা আইন কমিশন তা খতিয়ে দেখবে, প্রয়োজনে বাতিল করবে। তাহলেই প্রকৃত আইনের শাসন বাস্তবায়ন হবে।

আইনজীবী যখন কালজয়ী – ১: জুল ভার্ন


আইনজীবী যখন কালজয়ী – ১: জুল ভার্ন
বাবার ইচ্ছায় আইন বিষয়ে পড়াশুনা করে আইনজীবী হিসেবে কর্মজীবন12472726_612177875608157_771102607861522738_n

শুরু করে বেশ প্রসার লাভ করলেও অভিযানপ্রিয় জুল গাব্রিয়েল ভার্ন খুব দ্রুত বিরক্ত হন এ পেশার প্রতি এবং আইন ব্যবসা ছেড়ে পাড়ি জমান আমেরিকাতে ১৮৬৭ সালে।
পরে একজন ফরাসি লেখক ও অসামান্য সব বিজ্ঞান কল্পকাহিনী রচনার জন্য বিশ্ব বিখ্যাত হন। উড়োজাহাজ, রকেট কিংবা সাবমেরিনের বাস্তবিক ও ব্যবহারিক প্রয়োগের অনেক পূর্বেই তিনি মহাকাশ ভ্রমণ ও সমুদ্রের তলদেশে ভ্রমণের কল্পকাহিনী লিখেছিলেন। পৃথিবীতে আগাথা ক্রিস্টির পরেই তাঁর লেখা সবচেয়ে বেশী বিভিন্ন ভাষায় অনূদিত হয়েছে। তাঁর লেখা বেশ কিছু কাহিনী নিয়ে চলচ্চিত্র ও নাটকও নির্মিত হয়েছে।
জুল ভার্নের জন্ম ১৮২৮ সালে ফ্রান্সের পশ্চিমে বিস্কে উপসাগরের তীরে অবস্থিত নঁত নামের বন্দর শহরে। তাঁর বাবা পিয়েরে ভার্ন, এবং মা সোফি অ্যালো দে লা ফুয়। তাঁর শৈশবকাল কাটে এখানকার বিদ্যালয়ে পড়াশুনা করে। তাঁরা গ্রীষ্মকাল কাটাতেন নঁতের কাছেই ব্রে শহরে। সেখানে ভার্ন ও তাঁর ভাই পল প্রায়ই এক ফ্রাঁ দিয়ে এক দিনের জন্য নৌকা ভাড়া নিতেন। ভার্নের মতে, নদীতে প্রচুর জলযানের চলাচলের দৃশ্য তাঁর কল্পনাশক্তির স্ফুরণ ঘটায়। ১২ বছর বয়সে জাহাজের কেবিনবয় হিসেবে কাজ নিয়ে বাড়ী থেকে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে মায়ের কাছে প্রতিজ্ঞা করেন এখন থেকে নিজের মনের মধ্যেই ঘুরে বেড়াবেন।
সাহিত্যাঙ্গনে ভার্নের প্রবেশ ঘটে মঞ্চনাটক লেখার মাধ্যমে। তাঁর লেখা মঞ্চনাটক বেশ জনপ্রিয়তা পায়। তাঁর লেখা প্রথম বই বেলুনে পাঁচ সপ্তাহ অত্যন্ত অবাস্তব বলে কোন প্রকাশক ছাপতে রাজী না হওয়ায় তিনি রেগে গিয়ে এর পাণ্ডুলিপি আগুনে পুড়িয়ে ফেলার সময় তাঁর স্ত্রীর হস্তক্ষেপে তা রক্ষা পায়। পরে এ বইটি প্রকাশিত হলে রাতারাতি প্রচন্ড জনপ্রিয়তা পায়।
ব্যক্তিগত জীবনে প্রচণ্ড ঘরকুনো এই লেখক তার বাড়ীর চিলেকোঠায় বসেই লিখে গেছেন বিশ্বমাতানো সব কল্পবিজ্ঞান কাহিনী। তাঁর সৃষ্ট চরিত্রগুলির মধ্যে ফিলিয়াস ফগ্‌, ক্যাপ্টেন নিমো, রোবার ও ক্যাপ্টেন হ্যাটেরাস উল্লেখযোগ্য। ১৮৫৭ সালের সিপাহী বিদ্রোহ ও নানা সাহেবের ইতিহাস আশ্রিত তাঁর উপন্যাস Tigers and Traitors এ অবিভক্ত ভারতবর্ষ ও বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের নিখুঁত বর্ণনা পাওয়া যায়। জুল ভার্ন মৃত্যুবরণ করেন ২৪ মার্চ ১৯০৫ আমেরিকায়।