Substantive law and procedural law:


Substantive law and procedural law:
যে সকল আইনে অপরাধের সজ্ঞা এবং শাস্তি বা কোন অধিকারের সজ্ঞা বা ব্যাখ্যা রয়েছে তাকে substantive law বলে।
যেমন; দন্ডবিধি, সুনির্দিস্ট প্রতিকার, কোর্ট ফিস আইন ইত্যাদি।
যে সকল আইনে কোন মামলার কি পদ্ধতিতে বিচার কার্য পরিচালিত হবে তা নিয়ে আলোচনা হয় তাকে procedural law বলে।
যেমন; ফৌজদারি কার্যবিধি, দেওয়ানি কার্যবিধি, সাক্ষ্য আইন।

Advertisements

ব্যর্থতা মাধ্যমেই সফলতা আসে


সকলেই জীবনে সফলতা লাভ করতে চায়। কিন্তু সেই সফলতার জন্য নিজের মাঝে কি কি গুনাগুণ থাকা উচিত সে ব্যাপারটা অনেকেরই অজানা থাকে। এইখানে একজন কর্মক্ষেত্রে / জীবনে সফল মানুষের কিছু গুন বা যোগ্যতা তুলে ধরা হলো যা থেকে আমরা নিজেদের ভুলগুলো শুধরে নিতে পারিঃ

images (13)

০১. শোনার যোগ্যতাঃ কারো কোন কথা ভালো মতো শুনুন। নিজে কিছু বলার আগে ভালোভাবে শুনে নিন। ভালোমতো শুনার যোগ্যতাটা একটা বড় গুন। মনে রাখবেন সৃষ্টিকর্তা একটা মুখ এবং দুটো কান দিয়েছেন। দুটো কানতো আর খামোখা দেয়নি।

০২. মানসিক দৃঢ়তাঃ একজন সফল মানুষ জানে কিভাবে “না” বলতে হয় এবং কখন নির্দ্বিধায় তা করতে হয়। একজন সফল মানুষই পারে বাস্তবমুখী কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে।

০৩. অতীতের ভুলের প্রতি কম মনোযোগী হোনঃ ভুল আমরা কমবেশী সবাই করি। একজন নিখুঁত মানুষ খুঁজে পাওয়াটা দায়। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে ভবিষৎ কর্মপন্থা নির্ধারণ করুন কিন্তু অতীত নিয়ে পড়ে থাকবেন না। কারণ, যা চলে যায় তা কখনো আর ফিরে আসে না।

০৪. অন্যজনের দৃষ্টিকোন থেকে দেখুনঃ একজন সফল মানুষ সবসময় একটা বিষয়কে অন্যজন কিভাবে ভাবছে তা নিয়ে চিন্তা করে। সুতরাং একটি বিষয়কে বিভিন্ন দৃষ্টিকোন থেকে দেখুন।

০৫. চ্যালেঞ্জ গ্রহন করার মানসিকতাঃ আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ গুন হলো সর্বদা “নতুন কিছু করার” মানসিকতা। সবসময় নতুন কিছু কে কিংবা নতুন কোন আইডিয়া কে গ্রহণ করুন। এটাকে একটা চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিন। ভুলেও আপনার ভিতরকার হেরে যাওয়ার ভয়টাকে বের হয়ে আসতে দিবেন না। তাহলেই নতুন কিছু সফলভাবে করতে পারবেন।

তালাক-ই-তৌফিজের মাধ্যমে তালাক


তালাক-ই-তৌফিজের মাধ্যমে তালাক

images (5)

তালাক-ই-তোফিজ স্ত্রীর নিজস্ব কোনো ক্ষমতা নয়৷ এটি স্বামী কর্তৃক প্রদত্ত ক্ষমতা৷ নিকাহনামা বা কাবিননামার ১৮ নং ঘরে স্বামী স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা অর্পণ করেছে কিনা? করে থাকলে কি শর্তে?এই প্রশ্নটি ছাপা থাকে৷ স্বামীর যে তালাক দেয়ার ক্ষমতা রয়েছে সে ক্ষমতাটি যদি স্বামী স্ত্রীকে কাবিননামার ১৮ নং ঘর পূরণের মাধ্যমে প্রদান করে তবে স্ত্রী নিজ থেকে বিবাহ বিচ্ছেদ ঘটাতে পারেন৷স্ত্রীকে তালাক প্রদানের ক্ষমতা শর্তযুক্ত বা শর্তহীন হতে পারে৷ স্ত্রী কর্তৃক এরূপ তালাক উচ্চারণ করা হলে বা বিয়ে ছিন্ন করা হলে সে তালাকের নাম তালাক-ই-তোফিজ৷ এক্ষেত্রে যেহেতু স্ত্রী তালাক দিচ্ছেন তাই তালাক সংক্রান্ত নোটিশ চেয়ারম্যানের কাছে এবং এর কপি স্বামীর কাছে পাঠাতে হবে৷

তালাক-ই-তোফিজ মুসলিম আইনে একটি কার্যকর সংযোজন৷ তবে বেশীরভাগ ক্ষেত্রে আমাদের দেশে কাবিননামার ১৮ নং ঘরটি ফাকা থাকে৷ ফলে ১৯৩৯ সালে মুসলিম বিবাহ বিচ্ছেদ আইনে যে ঌটি কারণের কথা বলা আছে তা না থাকলে এবং খুলার মাধ্যমে স্বামীর কাছ থেকে বিচ্ছেদ না পেলে একটি মেয়ের পক্ষে বিয়ের বন্ধন থেকে মুক্তি পাওয়া দুরূহ হয়ে পড়ে৷ এই অসুবিধার কথা চিন্তা করে কাবিননামার ১৮ নং ঘরে হ্যা যা শব্দটি ছাপানো হয়েছে৷ যাতে স্ত্রী অপেক্ষাকৃত কম জটিলতায় তালাক-ই-তোফিজের মাধ্যমে মুক্তি পেতে পারে৷ নিকাহ্নামার ১৮ নং ঘরটি এজন্য অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে পূরণ করা উচিত৷ অনেকে এ বিষয়টি সম্পর্কে জানেনা এবং ঘরটি শূন্য থাকে৷ বিয়ে পড়ানোর সময় কাজীদের অবশ্যই দু’পক্ষকে এই ঘরটি সম্পর্কে বিশেষভাবে জানানো উচিত

যে সমস্ত দলিলপত্রের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক


যে সমস্ত দলিলপত্রের রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক

property-title.jpg

(ক) স্থাবর সম্পত্তির দানপত্র ।

(কক) মুসলমানদের ব্যক্তিগত আইন (শরিয়ত) অনুযায়ী প্রদত্ত হেবা সম্পর্কিত ঘোষণা,.২০০৪ সনের ২৫ নং আইন দ্বারা সংশোধিত ।

(খ) উইল ছাড়া অন্যান্য দলিলপত্র যাহা কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে বর্তমান বা ভবিষ্যতে কায়েমী বা সম্ভাব্য কোনো অধিকার স্বত্ব বা সুযোগ-সুবিধা জন্মায়, ঘোষণা করে, অর্পণ করে, সীমাবদ্ধ করে বা নিঃশেষিত করে ।

ব্যাখ্যা : কোনো বন্ধকী দলিল হস্তান্তরের ক্ষেত্রে যে অর্থের বিনিময়ে হস্তান্তর দলিল সম্পাদিত হয়, রেজিস্ট্রেশনের জন্য উহাই মুল্য বলিয়া বিবেচিত হইবে।

(গ) উইল ছাড়া অন্যান্য দলিলপত্র যাহা কোনো অধিকার, স্বত্ব বা সুযোগ-সুবিধা জন্মানোর ঘোষণা, অর্পণ, সীমাবদ্ধকরণ বা নিঃশেষিত হইবার প্রতি বিনিময়মূল্য স্বরূপ কোনো কিছুর প্রাপ্তি বা প্রদান স্বীকার ।

(গগ) সম্পত্তি হস্তান্তর আইন, ১৮৮২ এর ধারা ৫৯ অনুযায়ী বন্ধকী দলিল,.২০০৪ সনের ২৫ নং আইন দ্বারা সংশোধিত ।

(ঘ) স্থাবর সম্পত্তির বত্সরান্তের অথবা এক বত্সরের ঊর্ধ্বে কোনো মেয়াদী ইজারা বা বাত্সরিক খাজনার শর্তে ইজারার দলিল ।

(ঙ) উইল ছাড়া অন্যান্য দলিলপত্র যাহা কোর্টের ডিক্রি বা হুকুমনামা অথবা কোনো বিচার নিষ্পত্তির হস্তান্তর বা অর্পণ করে এবং যখন ঐরূপ ডিক্রি, হুকুমনামা বা বিচার নিষ্পত্তিতে কোনো স্থাবর সম্পত্তিতে বর্তমান বা ভবিষ্যত কায়েমী বা সম্ভাব্য কোনো অধিকার, স্বত্ব সুযোগ সুবিধা জন্মায়, ঘোষণা করে, অর্পণ করে, সীমাবদ্ধ করে বা নিঃশেষিত করে।

তবে কোনো জিলা বা জিলার অংশে সম্পাদিত কোনো ইজারাকে যদি উক্ত ইজারার মেয়াদ ৫ বত্সরের উর্ধ্বে না হয় বা উহার বাত্সরিক খাজনা ৫০ টাকার বেশি না হয় তবে সরকার সরকারি গেজেটে বিজ্ঞপ্তি দিয়া এই উপধারা আওতামুক্ত করিতে পারেন।

(চ) স্ব-স্ব ব্যক্তিগত ধর্মীয় আইন অনুযায়ী প্রাপ্য ওয়ারিশী স্থাবর সম্পত্তি বন্টন বিষয়ক দলিল,.২০০৪ সনের ২৫ নং আইন দ্বারা সংশোধিত।

(ছ) রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০ এর ধারা ৯৬ অনুযায়ী আদালতের আদেশ মোতাবেক বিক্রয় দলিল,.২০০৪ সনের ২৫ নং আইন দ্বারা সংশোধিত।

দুই ধর্মের মানুষের বিয়ের পদ্ধতি!


দুই ধর্মের মানুষের বিয়ের পদ্ধতি!

picture-10266

নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস অটুট রেখে সংসার করছেন অনেক দম্পতি। বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম, যাদের উত্তরাধিকার সূত্রে ধর্মীয় কোন পরিচয় নেই। এটাকে সমাজের অনেক বড় পরিবর্তন বলছেন সমাজ বিজ্ঞানীরা ধর্ম পরিবর্তন না করেই দু’টি ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের মধ্যে বিয়ের ঘটনা বাড়ছে। একই ধর্মের দু’জন বিয়ে করে ঘর সংসার করতে হবে এমন ধারণা থেকে বের হয়ে আসছেন অনেকেই। দুই ধর্মের দু’জন তাদের নিজ নিজ ধর্মীয় বিশ্বাস ঠিক রেখে বিয়ে করছেন। আচার-আচরণ পালন করছেন যে যার বিশ্বাস মত। এভাবে দেশের আইন অনুযায়ী বিয়ে করে সংসার করছেন অসংখ্য দম্পতি। ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে এ ধরনের জুটি এখন অনেক। আর এই বিয়ের ফলে বেড়ে উঠছে নতুন একটি প্রজন্ম। যারা উত্তরাধিকার সূত্রে কোন ধর্মীয় পরিচয় বহন করছেন না। আধুনিক সমাজে সেটা প্রয়োজনও মনে করছেন না অনেকে। এই উত্তরাধিকারীদের মধ্যে আবার কেউ কেউ নিজেই একটি ধর্ম বেছে নিচ্ছেন। আবার কেউ কেউ ধর্ম বিশ্বাস থেকে সরে আসছেন। তবে রাষ্ট্র আইন করে এমন বিয়ের ব্যবস্থা করলেও এইসব পরিবারের সম্পত্তি বন্টনের জন্য কোন আইন নেই। বাংলাদেশে ইসলাম, হিন্দু ও খৃষ্টান ধর্মীয় আইনে সম্পত্তি ভাগ হয়। কিন্তু এই পরিবারের সম্পত্তি যদি বাবা-মা ভাগ করে দিয়ে না যান বা উইল না করেন, তবে ভাগ করার কোন নিয়ম নেই। বাংলাদেশের বিশেষ বিবাহ আইন ১৮৭২ (সংশোধিত ২০০৭) অনুযায়ী এই বিয়ে হচ্ছে। এই আইন অনুযায়ী, একজন মুসলমান, হিন্দু, খ্রীষ্টান, বৌদ্ধ, শিখ, ইহুদি বা অন্য যে কোন ধর্মের যে কেউ যে কারো সাথে বিয়ে করতে পারবে। ধর্মের পরিবর্তন করা প্রয়োজন হবে না। অথবা দু’জনই ধর্মীয় বিশ্বাস বাদ দিয়ে বিয়ে করতে পারবে। অথবা একজন অন্যজনের ধর্ম মেনে নিতে পারবে। তবে নাবালকের সাথে কেউ বিয়ে করতে পারবে না। আইন অনুযায়ী এই বিয়ে রেজিষ্ট্রি করার জন্য সরকার একজনকে নিয়োগ দিয়েছে। বাংলাদেশে একজনই এই বিয়ে পড়িয়ে থাকেন। প্রায় প্রতিমাসেই এই বিয়ে হচ্ছে। গত কয়েক বছরে এই বিয়ের হার বেড়েছে। ১৯৮৩ সাল থেকে এপর্যন্ত এক হিসেবে দেখা গেছে, প্রায় ৫০০ দম্পত্তি কোন ধর্ম পরিবর্তন না করেই এমন বিয়ে করেছেন। এদের মধ্যে ছেলে হিন্দু, মেয়ে মুসলমান। কিম্বা ছেলে মুসলমান, মেয়ে হিন্দু ধর্মে বিশ্বাসী। অনেকে আছেন আবেগে বিয়ে করছেন। অনেকে জেনে বুঝে গন্ডি ভাঙ্গার তাগিদে। অনেক পরিবার আছে এই বিয়ে মেনে নিচ্ছেন, আবার অনেক পরিবার আছে যারা মানছেন না। প্রসঙ্গত, সরকারিভাবে এমন বিয়ে পড়ানোর একমাত্র স্থান পুরানো ঢাকার পাটুয়াটুলি। প্রাণেশ সমাদ্দার এই বিয়ের রেজিস্ট্রার। একই সাথে তিনি রাজধানীর পাটুয়াটুলির শরত্চন্দ্র ব্রাহ্ম প্রচারক নিবাসের আচার্য ও ট্রাস্টি। সেখানেই থাকেন তিনি। শুধু ঢাকা নয় দেশের অন্যান্য জেলা থেকেও ছেলে মেয়েরা আসে বিয়ে করতে। বিশেষ করে যারা দেশের বাইরে যেতে চায় তাদের আসতেই হয়। কারণ কোর্টে বিয়ে করলে বিয়ে রেজিস্ট্রির কোন প্রমাণপত্র পাওয়া যায় না। অবশ্য কোর্টে দুই ধর্মের দু’জন বিয়ে করতে পারে না। অনেক সময় যারা জানে না তারা প্রথমে কোর্টে যায়। আর তখন আইনজীবীরা এখানে নিয়ে আসে। এখানে বিয়ে হলেও ডিভোর্স করানো যায় না। ওটা করতে হয় কোর্টে। আইন মতে, বিয়ের ১৪ দিন আগে রেজিস্ট্রারের কাছে নোটিস দিতে হয়। এরমধ্যে কারো কোন আপত্তি থাকলে সে তা জানাবে। তারপর তিনজন সাক্ষী আর পাঁচ হাজার টাকা নিয়ে হাজির হতে হবে। নির্দিষ্ট ছকে ছেলে-মেয়ে দু’জন স্বাক্ষর করবে আর স্বাক্ষর করবে তিনজন সাক্ষী। এতেই হয়ে যাবে দু’জনের বিয়ে। সামাজিক আর কোন আনুষ্ঠানিকতা এখানে নেই। তবে বিয়ের পরে কেউ কেউ মিস্টি নিয়ে আসেন। উপস্থিত সবাই মিষ্টি খেয়ে নব দম্পতির মঙ্গল কামনা করেন।

সংগৃহীত

খাইখালাসি বন্ধক


খাইখালাসি বন্ধক

images (3)

আইনে বিভিন্ন রকম বন্ধকের কথা বলা হয়েছে। এর একটি হলো ‘খাইখালাসি বন্ধক’। এই প্রকার বন্ধক ব্যবস্থায় বন্ধকগ্রহীতা জমির যে সুবিধাদি ভোগ করেন, তার জন্য বন্ধকগ্রহীতার প্রতি বন্ধকদাতার দায় হ্রাস পায়। ধরুন, জমির আলী তার একখ- কৃষি জমি বিশ হাজার টাকায় আমির আলীর কাছে খাইখালাসি বন্ধক দিল। আমির আলী এই জমি থেকে কৃষিবাবদ যত সুবিধাদি গ্রহণ করবে, ধীরে ধীরে ততই জমির আলীর বিশ হাজার টাকার দায় কমে আসবে। এটাই খাইখালাসি বন্ধক। সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের ৫৮(ঘ) ধারা অনুসারে, যখন দাতা কোনো গ্রহীতাকে বন্ধকি সম্পত্তির দখল অর্পণ করেন, প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে দখল দিতে নিজেকে বাধ্য করেন; এবং বন্ধকির টাকা পরিশোধ না হওয়া পর্যন্ত দখল রাখার অনুমতি দেন, এবং এরকম সম্পত্তি থেকে উদ্ভূত খাজনা ও লাভ বা এরকম খাজনা বা লাভের অংশবিশেষ গ্রহণের অনুমতি দেন, এবং তা বন্ধকি টাকার সুদ বা বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য বা তার আংশিক সুদ পরিশোধের জন্য এবং আংশিক বন্ধকি টাকা পরিশোধের জন্য ব্যয় করতে অনুমতি দেন, তখন তাকে ‘খাইখালাসি বন্ধক’ বলে। ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৫ ধারার বিধান মতে, কৃষিজমির খাইখালাসি বন্ধকি ছাড়া অন্য কোনোরকম বন্ধক চলতে পারে না। ৯৫ ধারা অনুসারে, অন্য আইনে যাই থাকুক না কেন, কোনো রায়ত তার জমি বা জমির অংশপূর্ণ খাইখালাসি বন্ধকি ছাড়া অন্য কোনো প্রকার বন্ধক দেবেন না এবং তার মেয়াদ সাত বছরের বেশি হবে না। তবে ওই মেয়াদের আগে হারাহারি টাকা দিয়ে রায়ত তার জমিকে বন্ধকমুক্ত করতে পারবেন। এই বন্ধক রেজিস্ট্রিকৃত দলিলের মাধ্যমে হতে হবে। রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের বিধান অনুসারে, সাত বছরের মধ্যে বন্ধকগ্রহীতার বন্ধকি টাকা উসুল না হলেও তিনি সাত বছরের বেশি সময় বন্ধকি সম্পত্তি নিজ দখলে রাখতে পারবেন না।

জমিজমা সংক্রান্ত আইন ও বিধি


জমিজমা সংক্রান্ত আইন ও বিধি

property3.jpg

ভূমি জরিপ, দলিল সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রশন সংক্রান্ত আইন
> ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্ট
> ১৯০৮ সালের রেজিষ্ট্রেশন আইন (সংশোধনী ২০০৫ সহ)
> ১৯৫৫ সালের প্রজাস্বত্ব বিধি
> ১৮৭৫ সালের ভূমি জরিপ আইন

নামজারী বা মিউটেশন সংক্রান্ত আইন
> ভূমি ব্যবস্থাপনা ম্যানুয়েল, ১৯৯০

ডুবে যাওয়া জমি (সিকস্তি) ও জেগে ওঠা জমি (পয়োস্তি)
> ১৮২৫ সালের বেঙ্গল এলুভিয়ন ও ডিলুভিয়ন রেগুলেশন

খাস জমি বন্দোবস্ত সংক্রান্ত আইন
> ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ
> ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইন

অকৃষি খাসজমি বন্দোবস্তের নীতিমালা
> ১৯৯৫ সালের ৮ই মার্চে প্রকাশিত গেজেট

সর্বচ্চো সিলিং বা জমি দখলে রাখার সীমাবদ্ধতা সংক্রান্ত আইন
> ১৯৭২ সালের বাংলাদেশ ল্যান্ড হোল্ডিং (লিমিটেশন) {১৫/৮/১৯৭২ সালে জারিকৃত প্রেসিডেন্ট আদেশ}

ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত আইন
> ভূমি উন্নয়ন কর সংক্রান্ত ৩০.০৫.১৯৯৫ ইং তারিখে পাশকৃত সংশোধনী
> ১৯১৩ সালের সরকারী পাওনা আদায় আইন

বর্গাচাষ সংক্রান্ত আইন
> ১৯৮৪ সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশ

ওয়াকফ সংক্রান্ত আইন
> ১৯৬২ সালের ওয়াকফ অধ্যাদেশ

ইজমেন্ট বা সুখাধিকার সংক্রান্ত আইন
> ১৯৮২ সালের ইজমেন্ট রাইট এক্ট

অগ্রক্রয় সংক্রান্ত আইন
> ১৯৫০ সালের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্ট

সম্পত্তি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত আইন
> ১৯৮২ সালের স্থাবর সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও হুকুম দখল অধ্যাদেশ
> ১৯৫০ সালের সম্পত্তি অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ত্ব আইন

দখল সংক্রান্ত আইন
> ১৮৭৭ সালে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন
> ১৯০৮ সালের দেওয়ানী কার্যবিধি
> ১৯০৮ সালের তামাদি আইন (ধারা)
> ১৯০৮ সালের তামাদি আইন (অনুচ্ছেদ)
> ১৮৮২ সালের সম্পত্তি হস্তান্তর আইন

অন্যান্য আইন
> ষ্ট্যাম্প এক্ট, ১৮৯৯
> ১৯৪৯ সালের অকৃষি প্রজাস্বত্ব আইন
> ১৯৫৯ সনের ৬নং অধ্যাদেশ
> ১৯৭২ সালের ৯৮ নং প্রেসিডেন্ট আদেশ
> ১৯৭২ সালের প্রেসিডেন্টের আদেশ নং ১৩৭

রেজিষ্ট্রি দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলী


রেজিষ্ট্রি দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলী

download (7)

একটি রেজিষ্ট্রি দলিলে নিমড়ববর্ণিত শর্তাবলী পালন করতে হয় অন্যথায় দলিলটি স্বয়ং সম্পূর্ণ হবেনা:

১। শিরোনামঃ দলিলটি কো ধরণের দলিল তা প্রথম বর্ণনায় উলেলখ করতে হবে। যেমন: সাফকবলা, বায়নাপত্র আম- মোক্তারনামা ইত্যাদি।
২। পক্ষগণের পরিচয়ঃ দান গ্রহীতা, প্রথম পক্ষ, দ্বিতীয় পক্ষ ইত্যাদি। নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম, পিতার নাম, পেশা, ধর্ম, জাতীয়তা বাসস্থান ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন কোন পক্ষের মধ্যে দলিলটি সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি হচ্ছে তার বর্ণনা।
৩। বিক্রীত স্বত্বের বর্ণনাঃ স্বত্বের ইতিহাস, পূর্বের দলিল নম্বর ইত্যাদি। অর্থাৎ বিক্রেতা সম্পত্তিটি কোন সূত্রে অর্জন করেছেন তার বিবরণ। তা নামে খতিয়ান ও জমা খারিজ আছে কিনা।
৪। পণঃ পণ ব্যতিরেকে কোন চুক্তি বৈধ হয় না। মনে রাখা আবশ্যক পনের লেনদেন স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী হতে হবে। অবাস্তর, অবিশ্বাস্য বা সন্দেহজনক পনের বিনিময়ে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত হলে পরিনামে দলিলটি বাতিল হতে পারে।
৫। দখলঃ বিক্রিত সম্পত্তির দখল বুঝে দেওয়া হলো কিনা তা দলিলে উল্লেখ করতে হবে। দখল না বুঝে দিলে দলিলের প্রধান শর্ত অপূর্ণ রয়ে গেল।
৬। রক্ষিত শর্তাবলীঃ দাতা গ্রহীতার অর্জিত সম্পত্তির অধিকারসমূহের কিয়দংশ সংরক্ষিত রেখে দলিল সম্পাদন করতে পারেন।
৭। দন্ড বিষয়ক অংশঃ জমি জমার ক্রয় বিক্রয়ের ব্যাপারে প্রতারণার নজির ভুরি ভুরি রয়েছে। তাই প্রতারণামূলক কার্যের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসাবে দন্ড বিষয়ক ব্যবস্থাদির দলিলে লিপিবদ্ধ রাখতে হয়।
৮। তারিখঃ দলিলে অবশ্যই তারিখ থাকতে হবে। দলিলে তারিখ না থাকলে উহা বাতিল বরে গণ্য হয়। বাংলা তারিখের সহিত ইংরেজি তারিখও দেওয়া উচিত।
৯। তফসিল বর্ণনাঃ বিক্রয়াধীন সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা দলিলের নির্দিষ্ট অংশে উল্লেখ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইহাতে ভুল থাকলে সমস্ত দলিলের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হইতে বাধ্য। তফসিলে জমির পরিমাণ, মৌজা, থানা, রেজিষ্ট্রী অফিস, জেলা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণী, তৌজি, জমির চৌহদ্দি অর্থাৎ উত্তরে, দক্ষিণে, পূর্বে ও পশ্চিমে অবস্থানকারীম ব্যক্তি ও সম্পত্তির নাম, খাজনা ও করের পরিমাণ সম্পত্তির কোন হোল্ডিং নম্বর ও ওয়ার্ড নম্বর থাকলে তাহাও দলিলে উল্লেখ করতে হয়।
১০। দস্তখতঃ দলিল দাতা দলিলের উপরিভাগ দক্ষিণ পার্শ্বে ও শেষ পৃষ্ঠায় নীচে স্বাক্ষর করবেন। কোন কোন দলিলে একাধিক পক্ষের দস্তখত দিতে হয়। দলিলে পক্ষগণের স্বাক্ষর বা টিপ পর্ব শেষ হবার পর দলিল লেখকের নাম, সাকিন ও দুই তিন জন সাক্ষীর নাম ও সাকিন লিখতে হবে।
১১। কৈফিয়তঃ দলিল লিখবার সময় কোন স্থানে ভূল, কাটা, মোছা বা অস্পষ্ট হলে উহার পৃষ্ঠা ও লাইন ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত হিসাবে তাহা লিখে দলিল লিখক তাহার নীচে সহি করবেন।
১২। বিবিধঃ দলিল পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে লিখিত হওয়া আবশ্যক। দলিল লিখতে ভাল কালি ব্যবহার করা দরকার। তবে বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হওয়ায় লিখিত দলিল খুব কমই রেজিষ্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপিত হচ্ছে।
১৩। বিক্রেতার নামে খতিয়ান থাকতে হবে। বিক্রিত সম্পত্তির নক্শা ম্যাপ ইত্যাদি থাকলে তাহা অনুচ্ছেদ স্বরূপ মূল দলিলের সহিত যুক্ত করে দিতে হবে।

ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ার


ফৌজদারি আদালতের এখতিয়ার

Bangladesh-supreme-court-morningsunbd

ন্যায় বিচার পেতে হলে আমাদের আদালতের দারস্ত হতে হয়। কোনো ব্যক্তি ন্যায় বিচার থেকে বঞ্চিত হলে আদালতের মাধ্যমেই তাকে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে হয়। কিন্তু আমাদের অনেকেই জানি না কোন আদালতের কী এখতিয়ার। আমাদের প্রার্থিত বিষয়ে বিচার করার এখতিয়ার কোন আদালতের আছে সেটি জানা অবশ্যই জরুরি। মামলা করার জন্য সংক্ষুব্ধ ব্যক্তি সাধারণত কোনো আইনজীবির স্মরনাপন্ন হন। ফলে আইনজীবিদের আদালতের এখতিয়ার জানা আরো বেশি জরুরি।তা নাহলে মামলাকারীরা আইনজীবীদের মাধ্যমেও হয়রানির শিকার হতে পারেন। আদালতের এখতিয়ার ফৌজদারী কার্যবিধিতে বর্ণনা করা হয়েছে। তবে এ আইনে কেবল ফৌজদারি অপরাধের বিচার করার এখতিয়ার সম্পর্কে বলা আছে। দেওয়ানী আদালতের এখতিয়ার বর্ণনা করা আছে দেওয়ানী কার্যবিধিতে।

কোনো ব্যক্তি মৃত্যুদণ্ড বা যাবজ্জীবন কারাদণ্ডে দণ্ডনীয় অপরাধ ছাড়া অন্যকোনো অপরাধ করলে এবং তার আদালতে হাজির হওয়ার অথবা তাকে হাজির করার তারিখে তার বয়স ১৫ বছরে কম হলে তার বিচার জেলা ম্যাজিস্ট্রেট ‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌‌বা চীফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট করতে পারবেন অথবা যে ম্যাজিস্ট্রেট যুব অপরাধীদেরকে আটক রাখা, তাদের বিচার করা এবং শাস্তি দেয়ার জন্য প্রণীত আইন অনুসারে সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন, এবং যে ম্যাজিস্ট্রেট উক্ত ক্ষমতা সম্পূর্ণ বা আংশিক প্রয়োগ করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত হয়েছেন তিনি তা করতে পারবেন।

হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে মৃত্যু দণ্ড প্রদান করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে। হাইকোর্ট বিভাগ আইনে অনুমোদিত যে কোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন। দায়রা জজ অথবা অতিরিক্ত দায়রা জজ আইনে অনুমোদিত যেকোনো দণ্ড প্রদান করতে পারেন, তবে এক্ষেত্রে মৃত্যু দণ্ড প্রদান করতে হাইকোর্ট বিভাগের অনুমোদন প্রয়োজন হবে।

সহকারি দায়রা জজ মৃত্যুদণ্ড অথবা দশ বছরের বেশি কারাদণ্ড ছাড়া আইনে অনুমোদিত যেকোনো শাস্তি প্রদান করতে পারেন।

কোনো সহকারি দায়রা জজ অতিরিক্ত দায়রা জজ হিসেবে বিবেচিত হলে মৃত্যুদণ্ড ছাড়া আইনে অনুমোদিত যেকোনে দণ্ড প্রদান করতে পারবেন।

মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এবং প্রথম শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আইনে অনুমোদিত নি:সঙ্গ অবরোধসহ পাঁচ বছরের বেশি কারাদণ্ড, সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকার অর্থদণ্ড ও বেত্রাঘাত দেয়ার শাস্তি প্রদান করার এখতিয়ার রাখতে পারেন।

দ্বিতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট্ আইনে অনুমোদিত নি:সঙ্গ অবরোধসহ সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড, পাঁচ হাজার টাকার অনধিক অর্থদণ্ড প্রদান করতে পারেন।

তৃতীয় শ্রেণির ম্যাজিস্ট্রেট আইনে অনুমোদিত দু্ই বছরের অনধিক কারাদণ্ড ও দুই হাজার টাকার অর্থদণ্ড প্রদান করতে পারেন।

কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত জরিমানার টাকা প্রদানে ব্যর্থতার জন্য কোনো ম্যাজিস্ট্রেটের আদালত শর্ত সাপেক্ষে আইনে অনুমোদিত যেকোনো মেয়াদের কারাদণ্ড প্রদান করতে পারবেন।

মানবাধিকার ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম

ভুমির সর্বোচ্চ সিলিং


১৯৮৪ সালের ভুমি সংস্কার অধ্যাদেশ অনুযায়ী ভুমির সর্বোচ্চ সিলিং:

download (1)

১লা বৈশাখ ১৩৯১ বাংলা সাল তথা ১৪/৪/১৯৮৪ইং তারিখের পূর্বে বাংলাদেশের কোনো পরিবার বা সংস্থা সর্বোচ্চ ১০০ বিঘা পর্যন্ত জমি ক্রয়ের মাধ্যমে কিংবা দান, উত্তরাধিকার কিংবা অন্য কোনো উপায়ে অর্জন করতে পারত এবং ভোগ দখলে রাখতে পারত, কিন্তু সরকার ১৯৮৪ ইং সালের ভূমি সংস্কার অধ্যাদেশজারির মাধ্যমে ঘোষনা করেছেন যে, ১৪ই এপ্রিল ১ঌ৮৪ সাল তথা ১লা বৈশাখ ১৩৯১ বাংলা তারিখ থেকে কোনো মালিক পরিবার বা সংস্থা ৬০ বিঘার (২০ একর) অতিরিক্ত কোনো কৃষি জমি ক্রয় সুত্রে/ উত্তরাধিকার সুত্রে/দান বা হেবা কিংবা অন্য কোনো উপায়ে অর্জন করতে পারবেন না।

[১৯৮৪ সালের ভুমি সংস্কার অধ্যাদেশের৪ নং ধারার ১ উপধারা]

অত্র অধ্যাদেশের ৪ নং ধারার ৩ উপধারাতে বলা হয়েছে যে এই অধ্যাদেশের কোনো বিধান লংঘন করে যদি কোনো মালিক বা পরিবার বা ব্যক্তি বা কোনো সংস্থা যে কোনো পদ্ধতিতে নতুন কৃষি জমি অর্জন করেন এবং পূর্বে এবং নতুন অর্জিত জমির পরিমাণ যদি ৬০ বিঘার অতিরিক্ত হয়ে যায় তাহলে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি সরকারের হাতে ন্যস্ত হয়ে যাবে। তবে উল্লেখ্য যে ৬০ বিঘার অতিরিক্ত জমি গুলি যদি উত্তরাধিকার, দান (হেবা) এর মাধ্যমে অর্জিত হয়ে থাকে তাহলে উক্ত অতিরিক্ত জমির জন্য সরকার জমির মালিককে ক্ষতিপূরণ দিবেন।